আবেদনের সময় শেষে ২০২৬ নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় মোট আবেদন কত?
২০২৬ নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় মোট আবেদনকারীর সংখ্যা কত? বিভাগীয় পরিসংখ্যান ও সর্বশেষ আপডেট!
৮১,০০০ শিক্ষার্থীর লড়াই: কার ভাগ্যে জুটবে সরকারি নার্সিং সিট?
নার্সিং ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০২৬ সালের নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকারীর সংখ্যা নিয়ে শুরু থেকেই ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা ছিল।
বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং ডাটা বিশ্লেষণ থেকে আমরা জানতে পেরেছি যে, এবারের নার্সিং ভর্তি পরীক্ষা ২০২৬-এ প্রায় ৮১,০০০ (একাশি হাজার) শিক্ষার্থী সফলভাবে আবেদন সম্পন্ন করেছেন। তবে আবেদনকারীদের মধ্যে একটি বড় অংশ পেমেন্ট জটিলতার কারণে মূল প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়েছেন। আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা বিএসসি, ডিপ্লোমা এবং মিডওয়াইফারি কোর্সে কতজন লড়াই করছেন এবং আসনপ্রতি প্রতিযোগিতার হার কত, তা বিস্তারিত আলোচনা করবো।
এক নজরে ২০২৬ নার্সিং আবেদন পরিসংখ্যান
মোট আবেদন
৮১,০০০+
পেমেন্ট ফেইল
৩,০০০+
বিএসসি (BSc)
৩৪,০০০+
মিডওয়াইফারি
৮,০০০+
বিভাগীয় ভিত্তিক আবেদনকারীর সংখ্যা বিশ্লেষণ
এবারের ভর্তি পরীক্ষায় কোর্স ভিত্তিক প্রতিযোগিতার চিত্রে ব্যাপক বৈচিত্র্য দেখা গেছে। আমরা যে তথ্য পেয়েছি তা নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:
১. বিএসসি ইন নার্সিং (BSc in Nursing):
এ বছর বিএসসি কোর্সে প্রায় ৩৪,০০০ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। সরকারি নার্সিং কলেজগুলোতে সিট সংখ্যা সীমিত হওয়ায় এখানে সবচেয়ে বেশি লড়াই হবে। প্রতিটি সিটের বিপরীতে প্রায় ৩০-৪০ জন শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতা করবেন।
২. ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি:
মোট ৮১,০০০ আবেদনের মধ্যে একটি বিশাল অংশ হলো ডিপ্লোমা কোর্সের। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রায় ৩৯,০০০ জন শিক্ষার্থী ডিপ্লোমা কোর্সে আবেদন করেছেন। এই বিভাগে তুলনামূলক সিট বেশি থাকলেও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় প্রতিযোগিতা মোটেও সহজ হবে না।
৩. ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি:
মিডওয়াইফারি কোর্সে এবার আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় ৮,০০০ জন। যারা শুধুমাত্র সেবার মানসিকতা নিয়ে এই বিশেষায়িত কোর্সে আসতে চান, তাদের জন্য এটি একটি দারুণ সুযোগ।
৩,০০০ শিক্ষার্থীর পেমেন্ট জটিলতা!
খুবই দুঃখজনক হলেও সত্য যে, প্রায় ৩,০০০ শিক্ষার্থী আবেদন করেও শেষ পর্যন্ত পরীক্ষার ফি জমা দিতে পারেননি। আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পেমেন্ট না করায় তাদের আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, টেকনিক্যাল সচেতনতা নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যারা সফলভাবে পেমেন্ট করেছেন, তারাই কেবল ২৭ তারিখের যুদ্ধে নামার সুযোগ পাচ্ছেন।
আসনপ্রতি লড়াই: আপনার করণীয় কী?
৮১,০০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে সরকারি সিট পাবেন মাত্র কয়েক হাজার। এই বিশাল প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আপনার প্রস্তুতি হতে হবে অন্যদের চেয়ে আলাদা। যেহেতু আবেদনকারীর সংখ্যা জানা হয়ে গেছে, এখন আপনার মনে সাহস রাখা উচিত যে—প্রতিযোগিতা যতই হোক, আপনার প্রয়োজন মাত্র একটি সিট।
| কৌশল | কেন এটি জরুরি? |
|---|---|
| ১০ বছরের প্রশ্ন সমাধান | নার্সিং ভর্তি পরীক্ষায় অনেক প্রশ্ন রিপিট হয়। |
| প্রতিদিন মডেল টেস্ট | ভুল কমানোর এবং টাইম ম্যানেজমেন্টের সেরা উপায়। |
| বেসিক সাবজেক্ট রিভিশন | বিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞানের ওপর বিশেষ জোর দিন। |
উপসংহার: স্বপ্ন ছোঁয়ার শেষ ধাপ
৮১,০০০ আবেদনকারীর এই তথ্য আপনাকে ভয় পাইয়ে দেওয়ার জন্য নয়, বরং সতর্ক করার জন্য। নার্সিং এডমিশন একাডেমি সবসময় বিশ্বাস করে যে—সঠিক তথ্য এবং কঠোর পরিশ্রমই সাফল্যের চাবিকাঠি। আপনি যদি গত কয়েক মাস নিয়মিত পড়াশোনা করে থাকেন এবং এখন শেষ মুহূর্তের রিভিশনে জোর দেন, তবে এই ৮১ হাজার পরীক্ষার্থীর ভিড়ে আপনার নামটিও মেধা তালিকায় প্রথম দিকে থাকবে। তারিখ পরিবর্তনের গুজবে কান না দিয়ে ২৭ তারিখের জন্য নিজেকে শাণিত করুন।
আপনি কি ৮১ হাজার শিক্ষার্থীর ভিড়ে সেরা হতে চান?
আমাদের স্পেশাল অনলাইন মডেল টেস্টে অংশ নিয়ে নিজের অবস্থান যাচাই করুন আজই!
নার্সিং এডমিশন একাডেমি ওয়েবসাইট.jpg)
নার্সিং এডমিশন একাডেমির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url